মানব সভ্যতা ধ্বংসের পথে: করোনার চেয়েও ভয়ঙ্কর ভাইরাস হানা দিতে পারে

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। এ যেন সারা বিশ্বের এখন মূল আলোচ্য বিষয়। ছোট্ট এই ভাইরাস থেকে মুক্তির পথ খুঁজছে সমগ্র মানবজাতি। ধনী থেকে দরিদ্র, উন্নত থেকে অনুন্নত, শীত কি গ্রীষ্ম! সকল দেশেই সমান ভাবে আঘাত হানছে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস। মানব সভ্যতা ধ্বংসের পথে : করোনার চেয়েও ভয়ঙ্কর কিছু ভাইরাস হানা দিতে পারে।

পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোর উন্নত প্রযুক্তিতে থাকা মানুষগুলো এই ভাইরাস থেকে বাঁচতে পারছে না কিছুতেই। প্রতিষেধক আবিষ্কার এর প্রাণপণ চেষ্টা করলেও এখনো পর্যন্ত কোনো কূলকিনারা করতে পারেনি পৃথিবীর কোন বিজ্ঞানী গবেষক। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এ জনজীবন যখন বিপর্যস্ত ঠিক তখনই নতুন করে আরও কিছু ভাইরাসের আবির্ভাব এর কথা জানালো বিজ্ঞানীরা।

মানুষের সীমাহীন লোভের শিকার হয়ে প্রকৃতি আজ বিপর্যস্ত। একটু ভালো থাকা বা বিত্তবান হওয়ার জন্য প্রকৃতির ঐশ্বর্য ভান্ডার ধ্বংস করে দিয়েছে মানবসভ্যতা। প্রতিনিয়ত এই পৃথিবীর সম্পদ নষ্ট করে আসছে মানুষ।

মাত্র কিছুদিন আগে মানুষের দ্বারা পৃথিবীর ফুসফুস নামে খ্যাত অ্যামাজন বন পুড়েছে মারাত্মকভাবে। প্রকৃতি যেন তার উল্টো প্রতিশোধ নিচ্ছে মানুষ থেকে। ঠিক এখন মানুষ প্রাণপণে পালিয়ে বেড়ানোর চেষ্টা করছে ফুসফুসের মারাত্মক ব্যাধি করোনাভাইরাস থেকে।

মানুষ নিজেদের প্রয়োজনে বনভূমি ধ্বংস করছে প্রতিনিয়ত। এতে বেড়ে যাচ্ছে পৃথিবীর তাপমাত্রা। গলতে শুরু করেছে পৃথিবীর মেরু অঞ্চলে থাকা বরফ গুলো। তুন্দ্রা, সাইবেরিয়া, আলাস্কা ও গ্রীনল্যান্ড অঞ্চলের বরফ গুলো ধীরে ধীরে গলতে শুরু করেছে।

হাজার হাজার বছর ধরে স্তরে স্তরে জমাটবাঁধা এই সকল বরফের খাঁজে খাঁজে জমা হয়ে আছে পৃথিবীর ইতিহাস-ঐতিহ্য। পৃথিবীর এই সব ইতিহাস পর্যালোচনা করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা সাম্প্রতিক সময়ে আবিষ্কার করেছেন এই সকল বরফের খাঁজে খাঁজে জমাট বেঁধে আছে নানা সকল আদিম ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া সহ বিভিন্ন রোগ বালাইয়ের অনুজীব।

মানব সভ্যতা ধ্বংসের পথে

এই সকল ভাইরাস ব্যাকটেরিয়া বা রোগের জীবাণুর সাথে কোনভাবেই খাপ খাওয়ানোর উপযুক্ত নয় সাম্প্রতিক সময়ের মানব শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। আক্রান্ত হওয়ার সাথে সাথেই মারা যেতে পারে যেকোনো মানুষ।

২০১৬ সালে রাশিয়ার সাইবেরিয়া তে হঠাৎ করে একটি ফ্লু দেখা দেয়। পরে জানা যায় এটির নাম অ্যানথ্রাক্স রোগ। প্রায় ৯০ জন আক্রান্ত এবং একটি শিশুর মৃত্যুর ঘটনাকে খুঁজতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেন ৭৫ বছর আগে মারা যাওয়া একটি বলগা হরিণ থেকে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে।

উষ্ণ মাটি বা ফার্ম ফাস্ট বলে ছড়িয়ে পড়েছিল এই অ্যানথ্রাক্স ভাইরাস। এই নিয়ে আরও গবেষণার পর বিজ্ঞানীরা ভয়াবহ তথ্য আবিষ্কার করেন। গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দেখতে পান বরফের নিচে লুকিয়ে আছে মানুষের জীবন নাশের সক্ষম নানা রকমের সুপার ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া।

এই সকল ভাইরাস আর একটু উষ্ণতা পাওয়ার সাথে সাথেই প্রকৃতিতে ছড়িয়ে পড়বে।

গবেষণার ফলাফল নিয়ে একজন বিজ্ঞানী বলেন- আমরা প্রথমবারেই ৩০ হাজার বছরের পুরনো একটি সুপার ভাইরাসকে জাগিয়ে তুলতে সক্ষম হয়েছি। যে ভাইরাস জাগার সাথে সাথেই একটি অ্যামিবা কে আক্রমণ করেছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন তারা জানেন না এই ফার্ম অফ স্ট্রিত রেয়ার কি ধরনের জীবাণু লুকিয়ে আছে।

আরো কত ধরনের ভাইরাস আছে বরফের এই কাজে এটা ধারণা করাও সম্ভব না বলে দাবি করছেন ওই বিজ্ঞানী। গবেষকদের ধারণা ঝুঁকি থেকেই গেল। মানব সভ্যতার মুক্তির জন্য আমাদের নিজেদেরকে এখনই সচেতন হতে হবে। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কবে শেষ হয় এটা কেউ এখনো জানেনা।

মহান রবের কাছে আর্জি করা ছাড়া আর কোন উপায় নেই এই সকল প্রাণঘাতী ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য।

আপনি পছন্দ করতে পারেন-

সকল স্তরের শিক্ষা সংক্রান্ত সঠিক তথ্য, সরকারি-বেসরকারি চাকুরি বিজ্ঞপ্তি, চাকুরির পরীক্ষা, এডমিট কার্ড, পরীক্ষার রুটিন, সরকারি বেসরকারি বৃত্তি, উপবৃত্তি ও প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত তথ্য সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজটি Follow করে রাখুন।

ইউটিউবে সর্বশেষ আপডেট পেতে বাংলা নোটিশ ডট কম এর ইউটিউব চ্যানেলটি Subscribe করে রাখুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের যেকোন বিজ্ঞপ্তি, খবর, নোটিশ ও জাতীয় রাজনৈতিক বিষয়ে লেখা প্রকাশ করতে চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন;

দেশের অন্যতম প্রিয় অনলাইন পোর্টাল সর্বদাই সত্য ও বস্তুনির্ভর তথ্য প্রকাশে বদ্ধপরিকর। আপনার যেকোন অভিযোগ আপত্তি ও পরামর্শ সাদরে গ্রহণ করা হবে।

ক্যাটাগরি ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেখুন

আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া

আমি একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক, শিক্ষা-তথ্য গবেষক এবং শিক্ষা বিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতা, যিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের স্কুল-কলেজ শিক্ষা প্রশাসন, শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া, এমপিও কার্যক্রম, উপবৃত্তি, একাডেমিক নোটিশ এবং শিক্ষানীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে আসছি। বাস্তব অভিজ্ঞতা, তথ্য যাচাই এবং সরকারি নির্দেশনার আলোকে নির্ভুল ও আপডেটেড তথ্য প্রদান করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আমি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ভরযোগ্য, অথেনটিক এবং সহজবোধ্য শিক্ষা-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করি। প্রতিটি কনটেন্ট প্রকাশের আগে তথ্যের উৎস যাচাই, নির্দেশিকা বিশ্লেষণ এবং ব্যবহারকারীর প্রয়োজন বিবেচনা করা হয়, যাতে পাঠকরা সঠিক ও কার্যকর নির্দেশনা পান। শিক্ষা ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য তথ্যের ঘাটতি দূর করা, জটিল প্রক্রিয়াকে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা এবং দ্রুত আপডেট পৌঁছে দেওয়া— এই তিনটি বিষয়কে আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করি। আমার বিশ্বাস, বিশ্বস্ত তথ্য, বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং স্বচ্ছ উপস্থাপনই একটি শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্মের মূল ভিত্তি। সেই লক্ষ্যেই আমি নিরন্তরভাবে কাজ করে যাচ্ছি, যাতে শিক্ষাসংক্রান্ত সঠিক তথ্য সবার কাছে সহজে পৌঁছে যায়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close

অ্যাডস্ ব্লকার পাওয়া গেছে!

দয়া করে আমাদের সাপোর্ট করার জন্য আপনার এডস্ ব্লকার ডিজেবল করে পেইজটি রিলোড করুন! ধন্যবাদ